Sunday, 28 June, 2026
Logo
বিজ্ঞাপন
যাবতীয় রড, সিমেন্ট, ইট, বালি ও কনা পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয় ।। যোগাযোগ- মেসার্স হোসেন ব্রাদার্স/ জাকের ট্রেডার্স।। সোবান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড, সিনেমা হলের পাশে, দাগনভুইয়া, ফেনী। প্রোপ্রাইটর জাকের হোসেন আলমগীর ০১৭১১-৯৬২৯২৫।। ০১৮৭১-৯৩০০০৮ মেসার্স কে আহাম্মদ এন্ড সন্স! পরিবেশক,বি এম, ডেল্টা ও ইউনি এল পি গ্যাস! যোগাযোগ- বসুরহাট রোড, সিনেমা হলের সামনে, দাগনভুইয়া, ফেনী- ০১৭১১-৩০৪৮৭৩, ০১৮৩৯-৩৯৭১৩০! দাগনভুইয়া ফিজিওথেরাপী সেন্টার, একটি আধুনিক বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস ও মুখ বাঁকা চিকিৎসা কেন্দ্র। ঠিকানা- সোবহান মঞ্জিল, বসুর হাট রোড। (সাবেক ঝর্না সিনেমা হলের পাশে)। দাগনভুইয়া, ফেনী। 01818-019684, 01721-910110

মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার অবনতি হাসপাতালে এমবিবিএস ডাক্তার নেই, মূল চিকিৎসা চলছে সহকারী চিকিৎসকদের মাধ্যমে

ত্রিপুরারী দেবনাথ তিপু

প্রকাশিত: / বার পড়া হয়েছে


File Image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার বেহাল অবস্থা নজরে এসেছে। সরকারি কাঠামো অনুযায়ী একাধিক এমবিবিএস ডাক্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকার কথা থাকলেও, সরেজমিনে দেখা গেছে, একজন ডাক্তার ছাড়া অন্য কোনো এমবিবিএস ডাক্তার নিয়মিত উপস্থিত নেই। ফলে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম মূলত উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসারদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

হাসপাতালে সরকারি হিসেবে ২১ জন ডাক্তার কর্মরত থাকলেও, রবিবার (১ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে পরিদর্শন করলে দেখা গেছে মাত্র ডেন্টাল ডাক্তার নিবেদিতা দেব ও  মেডিকেল সহকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভুক্তভোগী রাষ্ট্রের প্রথম শ্রেণির নাগরিক রাশেদুজ্জামান বলেন, সাধারণ রোগীরা বুঝতে পারে না, চিকিৎসা দিচ্ছে ডাক্তার নাকি মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট? পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক! তিনি আরও বলেন হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ঘুরেও মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ছাড়া কোনো ডাক্তার পাননি।

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: ইমরুল হাসান জাহাঙ্গীর জানান, আমাদের হাসপাতালে মোট ৪৫টি পদ রয়েছে। ৪৮তম বিসিএস থেকে এখানে ১২ জন ডাক্তার পদায়ন পেয়েছেন। বর্তমানে ২১ জন ডাক্তার রয়েছেন, তবে আজকের উপস্থিতি দেখে বলতে হবে। দুপুর সোয়া ১টা  থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত প্রতিবেদক অপেক্ষা করলেও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তারদের উপস্থিতির তথ্য দিতে পারেননি। 

স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এভাবে চলতে থাকলে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা দেওয়া কঠিন হবে।

Share

আরো খবর


সর্বাধিক পঠিত